• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durga Pujo

রাজ্য

Pujo Restrictions: এবারও পুজো মণ্ডপে বহাল 'নো এন্ট্রি'

এবারও পুজো মণ্ডপগুলোতে বহাল থাকছে নো এন্ট্রি। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, গত বছর আদালতের রায় এবারও বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। পুজোর দিনগুলিতে নৈশ কার্ফু শিথিল থাকবে। তবে লোকাল ট্রেন এখনই চলবে না বলেও জানানো হয়েছে।তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দেননি চিকিৎসকরা। ফলে করোনাবিধি মেনে যাতে এবারও দুর্গাপুজো হয়, সেই জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের থেকে পরামর্শ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, এবারের পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি বহাল থাকছে। ২০২০-তে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তা মেনেই পুজো হবে। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই পুজো হবে। কেন্দ্র আগেই বলেছে, উৎসব হোক। তবে নিয়ম মেনে। আদালতে রাজ্যের দাবি সেটাই হবে। আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল আরও জানান, পুজো কর্তৃপক্ষকে তালিকা দিয়ে জানিয়ে দিতে হবে তাঁদের কোন কোন স্বেচ্ছাসেবক পুজোর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। বড় পুজোর ক্ষেত্রে ২৫ জন এবং ছোট পুজোর ক্ষেত্রে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবকের তালিকা তৈরি করতে হবে। বৃহস্পতিবার নবান্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, অক্টোবরে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নৈশ কার্ফু বহাল থাকবে। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে পুজোর দিনগুলিতে। ১০ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতে যান চলাচল ও মানুষের যাতায়াতে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। ফলে রাত জেগে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

অক্টোবর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khuti Pujo : ইস্ট বেলেঘাটা জনকল্যাণ সঙ্ঘের খুঁটিপুজো

মায়ের আগমনী হতে বেশি দেরি নেই আর। এবার দুর্গাপুজো শুরু ১১ অক্টোবর। গতবছর করোনার প্রকোপ এতটাই বেশি ছিল যে প্রথমবার সেইভাবে পুজোটা উপভোগই করা গেল না। এই বছরও পরিস্থিতি সেরকম ভাল না। তবুও মানুষ আশাবাদী পুজোর আগে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এইবছর দুর্গাপুজো উপলক্ষে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ক্লাবের খুঁটিপুজো হয়ে গেছে। তারা ধীরে ধীরে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। আরও পড়ুনঃ আমি খুব বেশি ফুডি : দেবারতিবিভিন্ন ক্লাবের মতো ইস্ট বেলেঘাটা জনকল্যাণ সঙ্ঘেরও খুঁটিপুজো হয়ে গেল। খুঁটিপুজোতে পরেশ পাল জানান,ফোরামের যা নিয়ম আছে, রাজ্য সরকারের যা নিয়ম আছে সব নিয়ম মেনে, আইন-শৃঙ্খলা মেনেই আমরা পুজো করবো। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি জানালেন,সবাই যেন মাস্ক পরে ও স্যানিটাইজার নিয়ে পুজো দেখতে আসে। সবাই যেন মায়ের কাছে বলে আমরা যেন জেন করোনা থেকে মুক্তি পাই। করোনাকে ধ্বংস করে তুমি নতুন শহর নিয়ে আসো। আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেখুঁটিপুজোতে উপস্থিত ছিলেন এলাকার মানুষ। এছাড়া অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বিখ্যাত তবলিয়া মল্লার ঘোষ, প্রখ্যাত অভিনেত্রী সঙ্গীতা সিনহা প্রমুখ।

জুলাই ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমানে জেপি নাড্ডার ঠাসা কর্মসূচি, নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

একদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাঁর সফর নিয়ে সতর্ক বর্ধমান জেলা পুলিশ-প্রশাসন। এর আগে ডায়মন্ড হারবারে জনসভায় যাওয়ার পথে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছিল। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। নাড্ডার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে চলে দেশজুড়ে। রাজ্যপাল রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। নাড্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইপিএসদের নিয়ে কেন্দ্র -রাজ্য টানাটানি চলে।শনিবারের দিনের বঙ্গ সফরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। বিজেপি কর্মীরাও সতর্ক। বিজেপি সভাপতির বেশিরভাগ যাতায়াত কর্মসূচি রাখা হয়েছে হেলিকপ্টারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে আকাশ পথে তিনি যাতায়াত করবেন বলেই সূত্রের খবর। ফের যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রেখে তাঁর এদিনের কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে।জেপি নাড্ডা প্রথমে এগারোটা নাগাদ নামবেন অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে উড়ে যাবেন কাটোয়ায়। ১১টা ৪০ মিনিটে জগদানন্দপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পুজো দেবেন। ১১টা ৫০ মিনিটে ওই গ্রামেই কৃষক সুরক্ষা সভায় অংশ নেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বাড়ি বাড়ি মুষ্টি ভিক্ষার চাল সংগ্রহ করবেন। জগদানন্দপুরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন। সেখান থেকে কপ্টারে উড়ে বর্ধমানে হেলিপ্যাডে নামবেন।বিকেল ৩টা ৫ মিনিট নাগাদ শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবি সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেবেন। দর্শণ ও পুজো সেরে বর্ধমান শহরে রোড শো করবেন। বীরহাটা থেকে শুরু হয়ে কার্জনগেটে রোড শো শেষ হবে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। ৭ টা নাগাদ ফিরে যাবেন অন্ডাল বিমানবন্দরে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
উৎসব

অতিমারীর খারাপ প্রভাব থেকে সকলকে রক্ষা করুক আনন্দ উৎসব , টুইট রাজ্যপালের

সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানিয়ে টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ্তিনি টুইটে আরও লেখেন , এই মহাপর্ব মন্দের উপরে ভালোর জয় এবং অসত্যের উপরে সত্যের জয়কে চিহ্নিত করে। এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক। আরও পড়ুনঃ মহাষ্টমীতে ঢাকের তালে জমিয়ে নাচলেন নুসরত আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং সুখ। এর আগেও তিনি পুজো্র মধ্যে টুইট করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারের সকালেই তিথি অনুযায়ী বিজয়া দশমী পড়ে গিয়েছে। তারপরই তাঁর টুইটটি করেন রাজ্যপাল।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব , এই ভাবনাকেই ফুটিয়ে তুলেছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি

সামর্থ্য নাই থাকুক, ইচ্ছেটাই সব, এই আপ্তবাক্যকে সম্বল করেই এবার পুজো করছে হাতিবাগানের নবীন পল্লি। শহরের নামজাদা পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এই পুজো। হাতিবাগানের এই পুজোয় কয়েক হাজার দর্শক সমাগম হয়। কিন্তু চলতি বছর তাতে বাধ সেঁধেছে কলকাতা হাইকোর্টের রায়। কোভিড পরিস্থিতিতে তাদের বাজেটে কাটছাঁট হয়েছে অনেকটাই। তাই সামর্থ্য না থাকলেও ইচ্ছাকেই সম্বল করে কোমর বেঁধে চলছে পুজো প্রস্তুতি। চলতি বছর থিমভাবনা ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী প্রশান্ত পাল। আরও পড়ুনঃ শক্তিক্ষয় নিম্নচাপের , দূর্যোগের মেঘ কেটে গিয়ে ফিরছে পুজোর আমেজ তিনি জানান, মণ্ডপটিতে কার্যত একটি পুজো প্রাঙ্গনের রূপ দেওয়া হয়েছে। পুজোর বিভিন্ন সামগ্রীই মণ্ডপসজ্জায় কাজে লাগানো হয়েছে। লালপাড় সাদা শাড়ি, শাঁখাপলা, কুলো, দ্বারঘট দিয়ে তৈরি ফুলঘটই মণ্ডপসজ্জার মূল আকর্ষণ। এছাড়া পটচিত্রকেও নানাভাবে মণ্ডপ সজ্জায় কাজে লাগানো হয়েছে। একচালার প্রতিমাকেই তারা এবার বেছে নিয়েছেন। দেবী প্রতিমার স্নিগ্ধ রূপ সকলকে মুগ্ধ করবে বলেই আশা পুজো উদ্যোক্তাদের।আলোকসজ্জায় রয়েছে বিশেষ চমক। কাগজের ঠোঙার উপর নানা আঁকিবুঁকি করে ভিতরে আলোর বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
উৎসব

ভারতচক্রের পুজোয় এবার মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি

গত কয়েক বছর ধরে কলকাতার পুজোয় থিমের রমরমা বেড়েছে। এবার করোনা পরিস্থিতিতে পুজো অন্যরকম হতে চলেছে। দমদম পার্ক ভারতচক্রের কথাই ধরা যাক। ২০ বছরে পা দেওয়া এই পুজোর থিমে প্রতিবছরই থাকে চমক। উত্তরের যে পুজোগুলোয় প্রতি বছর ভিড় হয় , তার মধ্যে দমদম পার্ক ভারতচক্র অন্যতম। তাদের এবারের থিমে উঠে এসেছে মহামারীর অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় জেগে ওঠার কাহিনি। থিমের নাম দেওয়া হয়েছে, দুখ জাগানিয়া। মণ্ডপ ভাবনায় উঠে এসেছে, কীভাবে সাত মাস ধরে থমকে থাকা শহর আলোর স্পর্শ পেয়ে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠেছে। এই আশার আলোই রয়েছে মায়ের আগমণী বার্তায়। আরও পড়ুনঃ বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের সবারই আশা, মায়ের ত্রিশুলের আঘাতে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে এবার মিলিয়ে যাবে করোনাসুর। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে জীবন। এই পুজোর থিম ভাবনা শিল্পী অনির্বাণ দাসের। দমদমের ভারতচক্রের এবারের প্রতিমা নির্মাণ করছেন শিল্পী সৌমেন পাল। আলোয় রয়েছেন প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী, আবহ সঙ্গীতে সংবর্ত জানা গানওয়ালা। উদ্যোক্তারা জানালেন, করোনার কথা মাথায় রেখে সুরক্ষার বিষয়ে কোনওরকম আপস করবেন না তাঁরা। মানুষ যাতে সমস্ত সতর্কতা মেনে তবেই ঠাকুর দেখতে বেরোন, সেই অনুরোধও করেছেন তাঁরা।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের

বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপ কন্টেইনমেন্ট জোন বলে গণ্য হবে। করোনা আবহে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ছোট মণ্ডপ হলে তার ৫ মিটারের মধ্যে এবং বড় মণ্ডপ হলে তার ১০ মিটারের মধ্যে কোনও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। রাজ্যের সব পুজো মণ্ডপকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই রায় দিয়েছেন। নির্দেশ কতটা মানা হল পুজোর পর সেই রিপোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জমা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের। উল্লেখ্য , এদিন সকালেই মামলার প্রথম পর্যায়ের শুনানির পর্যবেক্ষণে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, পুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িত। তাই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার থাকলে সেখানে জড়ো হবেনই উৎসবপ্রেমীরা। এছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এবং প্রচারিত ছবি দেখেই ভিড় কতটা হতে পারে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের তরফে পুজোয় ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য ৩০ হাজার পুলিশের কথা বলা হয়েছে। তবে তা ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আদালত আরও জানিয়েছিল, সেক্ষেত্রে পুজো মণ্ডপগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন করে দেওয়া হোক। এছাড়াও মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। মণ্ডপগুলিতে শুধুমাত্র পুজো উদ্যোক্তাদের ঢোকার বন্দোবস্ত থাক। তবে সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট ক্লাব কর্তৃপক্ষকে তাঁদের সদস্যদের তালিকা জমা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক ! তারা পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছেন, মণ্ডপের শেষ প্রান্ত থেকে ফিতে মেপে ওই বলয় তৈরি করতে হবে। কোনও বড় মণ্ডপের বাইরে কোনও গেট তৈরি হলে সেটাকেই মণ্ডপের শেষ প্রান্ত বলে বিবেচনা করতে হবে। হাইকোর্টের বিচারপতিরা আরও বলেছেন, আদালত যে রায় দিল তা বড় বড় করে লিখে প্রতিটি পুজো মণ্ডপের বাইরে ঝোলাতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্যান্ডেলের মধ্যে ২৫ জনের বেশি পুজো কমিটির লোক ঢুকতে পারবে না। সেই তালিকা রোজ বদল করা যাবে না। এই তালিকাও মণ্ডপের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। দর্শকশূন্য রেখে পুজো পরিচালনার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে পুলিশপ্রশাসনকে। প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতিতে পুজো হোক , কিন্তু উৎসব নয়। এই দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রাক্তন কর্মী অজয়কুমার দে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিবকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে সোমবার রাজ্যের তরফে কোনও ব্লু প্রিন্ট জমা দেওয়া হয়নি। এই মামলার অন্যতম আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য রায় ঘোষণার পরে বলেছেন, যে হেতু বহু মানুষ কোথাও একসঙ্গে জড়ো হলে ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, তাই আদালত এই রায় দিয়েছে। কারণ, যত কম সংখ্যক মানুষ পুজো দেখতে বেরোবে ততই সবার জন্য মঙ্গল। সন্দেহ নেই এই রায় ঐতিহাসিক।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

দেবদারু ফটকের পুজোয় এবার দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ

এবার বেহালা দেবদারু ফটকের পুজোয় দর্শনার্থীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পর দ্বিতীয় পুজো প্যান্ডেল হিসেবে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বেহালা দেবদারু ফটক পুজো কমিটি। এ বছর তাদের পুজো ৪৮ তম বর্ষে পা দিয়েছে। ক্লাবের সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল বলছিলেন, বেহালা ক্লাব, আদর্শ পল্লি আর দেবদারু ফটক- এই তিন ক্লাবের হাত ধরেই বেহালায় থিম পুজোর খাতে খড়ি। সেই ৯৮ সাল থেকে দেবদারু ফটকে থিম পুজো আয়োজিত হচ্ছে। এবারও যতটা সম্ভব কম পরিসরে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে রাস্তার অনেকটা কাছে এগিয়ে আনা হয়েছে মণ্ডপ। যাতে প্যান্ডেলে না ঢুকেও মায়ের দর্শন করে সোজা রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন মানুষ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ক্লাবকে এ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কঠিন ছিল। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পর এই পরিস্থিতিতে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। কিন্তু মেন রোডের উপর একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে প্যান্ডেল দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুজো যাতে বাড়ি বসেই লাইভ দেখা যায়, সেই চেষ্টাও করছেন উদ্যোক্তারা। এছাড়া পুজো দেখাতে একাধিক অ্যাপের সঙ্গেও হাত মিলিয়েছে দেবদারু ফটক। আর ক্লাবের ফেসবুক পেজ থেকেও দেখে নেওয়া যাবে মণ্ডপ সজ্জা। এবার তাদের থিম শব্দযাপন। একদিকে শহরের ক্যাকোফনি আর অন্যদিকে আচমকা লকডাউনে ফিরে পাওয়া প্রকৃতি ও পাখিদের কলরব- এই দুই শব্দের সহাবস্থান ঘটিয়েছেন শিল্পী শুভদীপ ও সুমি মজুমদার। একচালায় মায়ের মমতাময়ী রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিমাশিল্পী সৌমেন পাল। এসবই দেখতে পাবেন বাঙালি। তবে ভারচুয়ালি। আরও পড়ুনঃ শহরের পুজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মণ্ডপ পরিদর্শন স্বয়ং নগরপালের প্রসঙ্গত, বুধবারই শহরের ঐতিহ্যবাহী পুজো কমিটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার জানিয়েছিল, অনেক চিন্তাভাবনা, আলাপ-আলোচনার পর দর্শকহীন পুজোই করবে তারা। অর্থাৎ ক্লাব সদস্য ছাড়া আর কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখা হোক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

দুর্গাপুজোর নামে উৎসব বন্ধ রাখার আরজি নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার আরজি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। তিনি আবেদনে কেরলের ওনাম উৎসবের কথা উল্লেখ করেছেন। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সিআইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ওনাম উৎসবের করে কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতহারে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাড়ম্বরে দুর্গাপুজো পালনের কারণেও একইভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবেদনে তিনি মহারাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে এনে বলেন, মহামারীর আবহে মহারাষ্ট্র সরকার ইতিমধ্যে গণেশ পুজো ও মহরম নিষিদ্ধ করেছে। সেই উদাহরণ মাথায় রেখেই বাংলায় এ বছর দুর্গাপুজো পালনে উৎসব বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হোক।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষেধ বেলুড় মঠের

এবার পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হবে বেলুড় মঠ প্রাঙ্গন। মঙ্গলবার বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জানা গিয়েছে , এবছর করোনা আবহে মূল মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। বিতরণ করা হবে না প্রসাদও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকে ২০% ফি কমানোর নির্দেশ হাইকোর্টের তবে, প্রতিবছরের মতোই কুমারি পুজোর আয়োজন হবে। তবে এবছর বাড়িতে বসেই বেলুড়ের পুজো দেখতে পাবেন সকলে। ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার হবে বেলুড় মঠের পুজো। বেলুড় মঠ থেকে এদিন পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর নির্ঘণ্টও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

দুর্গাপুজো হোক, কিন্ত এবার দুর্গা উৎসব চান না দিলীপ ঘোষ

দুর্গাপুজো করতে বললেও দুর্গা উৎসব বন্ধ করতে সাধারণ মানুষ ও পুজো কমিটিগুলোর কাছে আবেদন জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও তাঁর এই আবেদন নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতার পুজো কমিটিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তিনি পুজোর নয়া নিয়মও ঘোষণাও করেছিলেন। করোনা আবহে কীভাবে পুজোর আয়োজন করা হবে তাও জানিয়ে দেন তিনি। শুক্রবার ৬ মুরলি ধর লেনে এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, আমি পুজো কমিটিগুলো ও সাধারণ নাগরকিদের কাছে আবেদন করব দুর্গাপুজো অবশই করুন, দুর্গা উৎসবটা এবার বন্ধ করুন। আরাধনা করে মায়ের কাছে প্রার্থনা করুন করোনা মহামারি যেন তাড়াতাড়ি মুক্ত হয়। মায়ের আশীর্বাদে সেটা সম্ভব হবে। দিদিমনি উৎসব করতে বললেই চিন্তা হয়। হোলি উৎসব হয়নি, রমনবমী হয়নি ঈদ মোবারক এমন অনেক উৎসব এবার হয়নি।

অক্টোবর ১০, ২০২০
কলকাতা

দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিকে ৫০হাজার টাকা, বিদ্যুতে ৫০ শতাংশ ছাড়সহ একাধিক ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের নানা সাহায্যের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি একাধিক নিয়ম মানার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। করণ কোনওরকম ভাবে উৎসবের আবহে করোনা সংক্রমণ না ছড়ায়। এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গাপুজো সমন্বয় কমিটির সভা বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুজো উদ্যোক্তাদের নানাবিধ নির্দেশের কথা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, এবার রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলোকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেবে। তাছাড়া পুজো অনুমতির ক্ষেত্রেও একগুচ্ছ ছাড় ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ফায়ার ব্রিগেডের অনুমতি একেবারেই বিনামূল্যে মিলবে। পুরসভা এবার কোনও কর নেবে না। সিইএসসি, রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর ৫০% ছাড় দেবে।এককথায় দুর্গাপুজোয় কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও করোনা মেকাবিলায় নানাবিধ নির্দেশ ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি প্যান্ডেলে স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তৃতীয়ার দিন রাত থেকে একাদশীর দিন পর্যন্ত প্রতিমা দর্শণ করা যাবে। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন করার জন্য ক্লাবগুলিকে মাইকে ঘোষণা করতে হবে। প্যান্ডেল খোলামেলা করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি চালা ঢাকা থাকে সে ক্ষেত্রে চারিপাশটা খুলতে হবে। চারিপাশ ঢাকা থাকলে চালা খোলা রাখতে বলেছেন। এক কথায় কোনভাবেই যাতে উৎসবের দিনগুলো করোনা সংক্রমণ না ছড়ায় সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়া অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সিঁদুরখেলা নিয়েও বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেশি ভিড় করা যাবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি। এবার আর রেড রোড কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে এ দিনের বৈঠকে নাম না করে গেরুয়া শিবিরের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজো না হলে এক কথা বলবে পুজো হলে আর এরকম অপবাদ চাপাবে। অতএব তাঁদের কোনওরকম সুযোগ দেওয়া যাবে না। কারণ পুজো নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। শকুনের দৃষ্টিতে তারা তাকিয়ে আছে। এবারে রাজ্যে মোট ৩৭ হাজার দুর্গাপুজো হচ্ছে তার মধ্যে কলকাতায় প্রায় আড়াই হাজার পুজো হবে। রাজ্য পুলিশ এলাকায় পুজোর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪৩৭, এছাড়া ১৭০৬টি মহিলা পরিচালিত পুজো রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

ট্রাইবুনালে কেন মাত্র ১৩৯ জনের নাম উঠল! এবার হাইকোর্টে যাওয়ার পথ দেখাল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয় আদালতে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, কিন্তু নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম।এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে মামলাকারীরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে পারেন। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে, প্রথম দফার ভোট নিয়েও এদিন আদালতে আলোচনা হয়। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং বহু পরিযায়ী শ্রমিকও এসে ভোট দিয়েছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বড় ধরনের কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোটদানের হার দেখে তিনি খুশি। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ভোটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন।এই শুনানি ঘিরে একদিকে যেমন ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও সামনে এসেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

আপে বড় ভাঙন! রাঘব চাড্ডা সহ সাত সাংসদের বিজেপিতে যোগ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আম আদমি পার্টি ছাড়লেন রাঘব চাড্ডা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জন সাংসদও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি।দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাঘব এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সংবিধানের নিয়ম মেনেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে আপের দশ জন সাংসদের মধ্যে সাত জনই এই সিদ্ধান্তে সই করেছেন।সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, তিনি দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে দলকে সময় দিয়েছেন। কিন্তু এখন দল তার আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, দল আর দেশের জন্য কাজ করছে না, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এতদিন তাঁর মনে হচ্ছিল তিনি সঠিক ব্যক্তি হলেও ভুল দলে রয়েছেন। তাই তিনি এখন মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চান।এর আগে বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন রাঘব। মূল্যবৃদ্ধি, সস্তায় খাবার, পরিষেবা সংক্রান্ত নানা দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।এই দলবদল ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

জনসভায় চোখে জল মমতার! ফিরহাদকে নিয়ে এমন কথা আগে শোনেননি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানান, তাঁর মায়ের অসুস্থতার সময় তিন বোতল রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন ফিরহাদ হাকিম নিজে এগিয়ে এসে রক্ত দিয়েছিলেন এবং তাঁর মায়ের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করেছিলেন।মমতা বলেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে ফিরহাদের রক্তের গ্রুপ মিলে গিয়েছিল। সেই কঠিন সময়ে তিনি পাশে ছিলেন। শুধু তাই নয়, মায়ের মৃত্যুর সময়ও অনেক দায়িত্ব সামলেছিলেন ফিরহাদ। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি কোনও সমস্যা হলেই প্রথমে ফিরহাদকেই ফোন করেন।তিনি আরও বলেন, ফিরহাদ তাঁর পরিবারের সদস্যের মতো। তাঁর কথায়, ফিরহাদের মা ব্রাহ্মণ এবং বাবা মুসলমান। এই উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়। এটাই ভারতের প্রকৃত চিত্র বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা জানান, তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় শেষকৃত্যের ব্যবস্থার দায়িত্বও তিনি ফিরহাদকেই দিয়েছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনিই সব কিছু দেখাশোনা করেছিলেন।একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবারের একটি ঘটনার কথাও বলেন। তাঁর বাড়িতে একটি ছেলের উপনয়ন অনুষ্ঠানের সময় ফিরহাদ এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন এবং সেই অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশে অংশ নিয়েছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি কখনও এই ধরনের ব্যক্তিগত কথা প্রকাশ্যে বলেন না। তবে তিনি সব সময় সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চান। তাঁর কাছে সকল মানুষ সমান, সে যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক না কেন। সংকীর্ণ রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না বলেও স্পষ্ট জানান।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মোদির বিস্ফোরক অভিযোগ! হাওড়া থেকে পাল্টা তোপ মমতার

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রচার আরও জোরদার হয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার দিয়ে দিন শুরু করলেও পরে একাধিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে গিয়ে জনসভা করেন তিনি। সেখান থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদি বলেন, একসময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সারা বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হত। কিন্তু এখন সেখানে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে এবং ছাত্রদের পড়াশোনার বদলে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি জানান, সেখানে আবার পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।এই বক্তব্যের পরই পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলার গর্ব এবং দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের প্রতিবাদকে অরাজকতা বলা ঠিক নয় বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, ছাত্র-যুবকদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটে তৃণমূল ভালো ফল করতে পারেনি এবং দ্বিতীয় দফায় বিজেপি আরও এগিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, বিজেপি জিতলে রাজ্যে উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, যাদবপুরে শাসক দলের প্রভাব রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের শাসনে বাংলার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

‘ভাইপো ট্যাক্স বন্ধ হবে’! তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহর তীব্র আক্রমণ

উত্তর চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর রাজ্যে আর তৃণমূল সরকার থাকবে না। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, তখন আর কাটমানির নামে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না।প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপি বড় সাফল্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে বিজেপি।বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে এই সভায় এসে শাহ সন্দেশখালির ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।অনুপ্রবেশের বিষয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি সরকার এলে তাদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।গরু পাচারের প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন শাহ। তাঁর দাবি, শাসকদলের আশ্রয়ে এই ধরনের কাজ বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার বদল হলে এইসব বন্ধ করা হবে এবং যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সভা থেকে তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে পরিস্থিতি শান্ত রাখা জরুরি, তবে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।হিঙ্গলগঞ্জের এই সভার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গাবিহার নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার! ‘যমুনায় ডুব দিয়ে দেখুন’

বঙ্গ সফরে এসে শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। এরপর হাওড়ার এক জনসভা থেকে এই বিষয়েই তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বাংলার গঙ্গা পরিষ্কার বলেই সেখানে নৌকাবিহার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি ভোটের সময়ের রাজনীতি এবং ছবি তোলার প্রচার। তিনি মোদিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গঙ্গায় নৌকাবিহার করা ভালো বিষয়, তিনিও বিভিন্ন সময়ে গঙ্গায় যান।এরপরই দিল্লির যমুনা নদীর দূষণের প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেন তিনি। মমতা বলেন, যমুনার দূষণ ভয়াবহ এবং মোদির উচিত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির যমুনা পরিষ্কার রাখতে না পারলেও বাংলায় এসে গঙ্গাবিহার করছেন প্রধানমন্ত্রী।দিল্লিতে দূষণের সমস্যা নতুন নয়। প্রতি বছর শীতের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। নদীর জলে ফেনা দেখা যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। দিল্লির নির্বাচনের সময়ও এই বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল।এই প্রেক্ষিতেই মোদির গঙ্গাবিহারকে ঘিরে রাজনৈতিক বক্তব্য আরও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে কলকাতা পর্যন্ত যোগাযোগ উন্নত করার জন্য করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এর মাঝেই বঙ্গের ভোট আবহে গঙ্গাবিহার নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal